Pages - Menu

মেসবা আলম অর্ঘ্য

টিফিন মেনু

কুন্ডু গেস্ট হাউজের একাকীত্ব
নির্মল টিফিন মেনু

প্যাটিস ও ডিম- কলকাতায়
আমার প্রথম ক্ষুধার প্রদর্শনে
এক প্রৌঢ়
লোকাল যুবক তাকে চাচা ডাকে- আমি কিছু না ডেকে বললাম  
ভাংতি দ্যান?

উনি ভাংতির বদলে আমাকে এক প্যাকেট বিস্কুট সাধে
নির্মল সেনগুপ্ত সরণীতে
চিকন বিস্কুট ও রিকশা উপাদেয়    
বেলের বদলে ওদের আছে ভেপু- চিকন কণ্ঠা
গুরু কোমর

অলিতে
গলিতে গলিতে ওরা
সাধে, যেন অলি
যেন বসন্তের    
পেপে গাজর কুন্ডু, গেস্ট হাউজের বিপরীতে
আমার প্রথম ক্ষুধার প্রদর্শনে
এক পরীক্ষক বেড়াল
আপাদমস্তক সূর্যের মতো একতায়
জেগে উঠলো
দাতা সুলতান শাহের মাজারে
শিকে ঝুলন্ত সকালের
সর্বাঙ্গে
মেনু

প্রৌঢ় খাদেম জানালো
উনি নাকি রাজা ছিল
বিরাট ওলী!
কেউ না খেয়ে থাকতো না


মল্লিক ঘাট

হাওড়া ব্রিজের নিচে মানুষের 
ফুল বিক্রি হয় বিয়ের,
পুজার ফুল 
বিক্রি হয় উপরে
আকাশে 
হাওড়া ব্রিজের লোহা 

দুই দিকে ছড়ানো 

মানুষের স্বপ্নের মতো 
বিয়ের মতো 
যেন পুজা- দু'দিকে ছড়ানো 
লোহার 
দাম আছে যেহেতু
ফুলগুলি বিক্রি হয় 
মল্লিক ঘাটে
ফুলের বর্জ্য খেতে গরু আসে
           



নিশিরাত বাকাচাঁদ

পার্ক স্ট্রিটের অভিজাত ফুটপাথে
আমরা ততোধিক অভিজাত
কাউরে পুছি না মিষ্টি মিষ্টি গান গাই
নিশিরাত বাকাচাঁদ
আকাশে
বিদ্যুৎ বেগে
ট্যাক্সি চলে গেল আমার গা ঘেষে
 
নীলাব্জ বললো আরে আরে!
আমি বললাম গান?


টেক অফ
 
উপর থেকে এক মাইল নিচে 
কলকাতার গাড়ি চলছে 
দুই মাইল নিচে   
পার্ক সার্কাসের
আকাশে দেখেছিলাম
একটা বৃদ্ধ বিমান, কিন্তু এক দিন উপরে 

আমার সামনের সিটে 
একটা শিশু কথা বলছে মা'র সাথে 
মনে হয় বেশিদিন হবে না বাক্য শিখেছে
পদ শিখেছে
ধাতু, অব্যয় কেমন অবলীলায়
কলকল করছে




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন